স্মৃতি জুড়ে চিত্রকরের নাম আর সাতরঙে মেশা শূন্যতা সরগরম হয়ে উঠল দশর্ক মনের অসংখ্য প্রশ্নে। ছবির আড়ালে থাকা শিল্পীমনের কিছু কথা
যতবড়ো ক্যানভাসেই তা ধরাতে চেষ্টা করুক স্ত্রী-পুত্র নিয়ে সাদাসিধে জীবনযাপনে থাকা রূপম
একমাত্র পুত্র দেবর্ষির বিয়েতে পুত্রবধূ তৃপাকে এই বইটি দিয়ে আশীর্বাদ করা হয়েছিল ২০০০ সালে।এই উপলক্ষ্যে একটিই লেখা ছিল। বাকি সব পুরেনো লেখা। উনিশ কুড়ি বছর পর বইটির নতুন প্রকাশের কথা উঠলে
নিরীহ এই ছেলেটির নেহাতই সাদামাটা ছাপোষা দিনরাতগুলো একদিন হঠাৎ বিদেশিনি লিলিয়ানের প্রেমের ছোঁয়ায় বদলে গেল। আশ্চর্য সুন্দর এই সপ্তদশী তার স্বপ্নকে মিলিয়ে দিল এই যুবকের স্বপ্নের সঙ্গে। ভিতর ও বাহিরে এক বাঙালিয়ানাকে সার্থক করে তুলতে চাইল লিলিয়ান। ভালোবাসা বোধহয় এভাবেই আত্মবিলোপ করে আত্মসন্ধানের পথে মানুষকে নিয়ে যায়। স্বপন ও লিলিয়ানের সেই প্রেমের গায়ে চোখের জল আর ঠোটের স্পর্শ বেশ কিছুটা লেগে থাকে। সমাপ্তিতে কোনো আশিয়ানা কি আছে
মাদার টেরিজার বর্ণময় জীবন অবলম্বন করে তিনি লিখেছেন অবিস্মরণীয় জীবনী উপন্যাস। এমনই একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কাজ তাঁর ‘নব বাল্মীকি রবীন্দ্রনাথ’। রবীন্দ্রনাথের জীবনকাহিনি অবলম্বনে তাঁর এই সৃষ্টিধর্মী লেখাটি বিদগ্ধ সমাজে বিশেষভাবে সমাদৃত হয়েছে। উপন্যাসটিতে বর্ণিত হয়েছে রবীন্দ্রনাথের জীবনের সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ সময়ের কথা। ১৯১৩ সালে নোবেল পুরস্কার প্রাপ্তির আগের দেড় বছর রবীন্দ্রনাথ ভ্রমণ করেন ইংল্যান্ড ও আমেরিকা। সময়টি সম্পর্কে লেখক অর্ভিন ঘোষের কথায়
নিউইয়র্ক নিউইয়র্ক প্রবন্ধ স্মৃতি জুড়ে চিত্রকরের নাম আরNewyork Newyork : : 232 , , , , (cm) : 14 (l) X 22 (b) X 2 (h)