বেবী সাউ-এর কবিতায় আধুনিক ভাষ্যের সঙ্গে অঙ্গাঙ্গী মিশে থাকে শাশ্বতের চলন। নাতিদীর্ঘ কবিতাগুলির প্রায় প্রতি পঙক্তিতেই পুষ্পরেণুর মতো ছড়িয়ে থাকে আপাত বিষাদময় এক ঋদ্ধ-অনুভব। ওই বিষাদময় কুয়াশা পেরোলেই তন্নিষ্ঠ পাঠক পেয়ে যান এমন কিছু অনুষঙ্গ আর চিত্রকল্প
‘নিকোলাস এক্কা ও অন্যান্য’র গল্পগুলো অরণ্যের বিস্তৃত ক্যানভাসে আঁকা এক তেলরঙের ছবি। ছবিতে ছড়িয়ে আছে চিলাপাতা- নীলপাড়ার মাইল মাইল জ্যোৎস্না। জ্যোৎস্না কথা বলেছে নদী-পাহাড়-অরণ্য এবং আদিবাসী মানুষের সঙ্গে। বাসরা গরম নদীর জলে চাঁদ নিভৃতে কথা বলে। হাতি পড়েছে রাভাবস্তিতে। জ্যোৎস্না ভেঙে ভেসে আসছে রাভাদের আর্তকোরাস হালাল-হো- নপলো নপলো। চাঁদের আলোয় হেঁটে যাচ্ছে। লোলো-আমলকী-ফুলমতী- পিটার-জোসেফ-সোমরা- মংরা। এই আরণ্যজীবনের সঙ্গে উঠে এসেছে সত্তর দশকের অস্থির সময় নকশালবাড়ি ও চারু মজুমদারের মৃত্যু। এই বইতে গভীর আন্তরিকতায় ডুয়ার্স ও পাহাড়ি ঢল কথা বলেছে বহতা সময়ের। বাংলা ভাষার পাঠকের কাছে 'নিকোলাস’ এক নস্টালজিয়া।
যুক্তনিষ্ঠ
যাঁরা নিখোঁজ হয়ে গেল হঠাৎ একদিন— আর তাঁদের পরিজনরা বসে রইল আবার
Amar Shomoy Olpo
মহাভারতের নরনারী অশোক মজুমদার বেবী সাউ-এর কবিতায় আধুনিক ভাষ্যেরMahabharater Naranari : : 288 , , , , ; , , , , , , , , , (cm) : 14 (l) X 22 (b) X 2 (h)